Sirajganj 24 News - Sirajganj News - Sirajganj News24

Sirajganj24News, Sirajganj News, Sirajganj Online News, Sirajganj current News, bangla newspaper, Sirajganj newspaper, Sirajgonj Live News , amader sirajganj,

Articles by "recent"

 ৮ বছর ধরে স্কুলে না  গিয়েও নিচ্ছেন বেতন ভাতা! কৈজুরী উচ্চ বিদ্যালয় এন্ড কলেজে 



শাহজাদপুর (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি

 ০৭:৫০ পিএম, ১০ এপ্রিল, ২০২১



সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলার কৈজুরি ইউনিয়নের চরকৈজুরি গ্রামে অবস্থিত কৈজুরি উচ্চ বিদ্যালয় এন্ড কলেজের স্কুল শাখার সহকারী শিক্ষক মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন (৪৫) দীর্ঘ ৮ বছর ধরে স্কুল না করেই বেতন ভাতা তুলছেন নিয়মিত। তিনি ওই স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ আব্দুল খালেক ও কৈজুরি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান, শাহজাদপুর উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলামের আপন ছোট ভাই। 

এরই সুবাদে তিনি ঢাকার মিরপুর-১ এর শাহা আলী বাগ কলওয়ালপাড়ায় অবস্থান করে গার্মেন্টস সূতার রং করার কারখানার ব্যবসা করেন। তারপরেও তিনি ওই স্কুল শাখার সহকারী শিক্ষক পদে থেকে নিয়মিত বেতন ভাতা তুলছেন। কাগজে কলমে হাজিরা ঠিক থাকলেও তিনি কোনদিন স্কুলে উপস্থিত থাকেন না। ফলে কৈজুরি ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি মোঃ হারুনার রশিদ সম্প্রতি এলাকাবাসির পক্ষে ও জনস্বার্থে এ অনিয়ম দূর্ণীতির বিরুদ্ধে সিরাজগঞ্জ জেলা শিক্ষা অফিসার ও দূর্ণীতি দমন কমিশনসহ বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ করেন। 


এই অভিযোগের প্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার সকালে শাহজাদপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহ মোঃ শামসুজ্জোহা,শাহজাদপুর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ মাসুদ হোসেন ও  শাহজাদপুর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ শাহাদাৎ হোসেন ওই প্রতিষ্ঠানে হাজির হয়ে এ বিষয়ে তদন্ত শুরু করেন। উভয় পক্ষের দীর্ঘ শুনানি শেষে শাহজাদপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাহ মোঃ শামসুজ্জোহা উপস্থিত সাংবাদিকদের জানান, এটা প্রাথমিক তদন্ত। এ বিষয়ে আরো তদন্তের প্রয়োজন রয়েছে। তাই ৩ সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। এ কমিটি আরো অধিক তদন্ত করবে। তারপরে এ বিষয়ে চুড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তিনি আরো বলেন, প্রাথমিক তদন্তে অভিযোগের বেশকিছু সত্যতা মিলেছে।


এ বিষয়ে অভিযোগকারি মোঃ হারুনার রশিদ জানান, মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন জীবনে কখনই এ বিদ্যালয়ে গিয়ে ছাত্রদের ক্লাস নেননি। তিনি ঢাকার মিরপুর-১ এর শাহা আলী বাগ কলওয়ালপাড়ায় গার্মেন্টস সূতার রং করার কারখানার ব্যবসা করেন। এ প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ বড় ভাই আব্দুল খালেক আর সভাপতি অপর ভাই সাইফুল ইসলাম। 


এ ছাড়া তার আরো দুই ভাই এ প্রতিষ্ঠানের সহকারী শিক্ষক। ফলে এ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি তাদের পারিবারিক প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। এ সুযোগ কাজে লাগিয়ে মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন ঢাকায় অবস্থান করেও জালিয়াতির মাধ্যমে হাজিরা খাতায় নিজেকে উপস্থিত দেখিয়ে এ প্রতিষ্ঠান থেকে দীর্ঘ ৮ বছর ধরে নিয়মিত ভাবে বেতন ভাতা তুলছেন। 


Source link

 দুই লকডাউনের মাঝে রাজধানী ছাড়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে লাখ লাখ মানুষ



সিরাজগঞ্জ ২৪ নিউজ ডেস্ক ; করোনাভাইরাসের সংক্রমণ এড়াতে ৫ এপ্রিল শুরু হয়েছে লকডাউন। চলবে ১১ এপ্রিল পর্যন্ত। এর দুই দিন পর ১৪ এপ্রিল দ্বিতীয় দফা লকডাউন শুরু হবে। এ লকডাউন অনেক কঠোর হবে বলে জানিয়েছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। দুই লকডাউনের মাঝে ১২ এবং ১৩ এপ্রিল দুই দিন সবকিছু খোলা থাকবে। এ দুই দিনে রাজধানী ছাড়ার জন‌্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন লাখ লাখ মানুষ। পরিবহন সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে এ তথ‌্য জানা গেছে।


দ্বিতীয় দফা লকডাউন ২১ এপ্রিল পর্যন্ত চলবে বলে প্রাথমিকভাবে জানিয়েছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। এর পর পরিস্থিতির ওপর ভিত্তি করে লকডাউনের সময়সীমা বাড়তে পারে।


করোনা সংক্রমণের দ্বিতীয় ঢেউকালে এ ভাইরাসে আক্রান্তদের উপসর্গ ভিন্ন রকমের। আক্রান্ত এবং মৃতের সংখ্যা ক্রমেই বাড়ছে। সরকার বাধ্য হয়ে পর পর দুই দফা লকডাউন দিচ্ছে। দুই লকডাউনের মাঝে দুই দিনের বিরতি আছে। অন্যদিকে, আগামী ১৪ এপ্রিল দ্বিতীয় লকডাউনের প্রথম দিনেই শুরু হবে রোজা।


গত ৩ এপ্রিল আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের ৫ এপ্রিল থেকে সপ্তাহব্যাপী লকডাউনের কথা জানান। এর পর থেকেই সাধারণ জনগণ শহর ছেড়ে গ্রামের বাড়িতে যাওয়া শুরু করে। লকডাউন, কর্মক্ষেত্রে অনিশ্চয়তা, সব মিলিয়ে লাখ লাখ মানুষ বাসে, ট্রেনে আর লঞ্চে করে শহর ছেড়েছে। এবারও তার ব্যত‌্যয় ঘটেনি।


১৪ এপ্রিল থেকে পুনরায় লকডাউনের কথা শোনার পর থেকে আবারও দলে দলে মানুষ শহর ছাড়তে শুরু করেছে। সরকারি আদেশের কারণে এক জেলা থেকে আরেক জেলায় বাস চলাচল বন্ধ আছে। কিন্তু গ্রামমুখী মানুষের স্রোত থেমে নেই। তবে, গণপরিবহনে স্বাস্থ্যবিধির বালাই নেই বেশিরভাগ মানুষের মধ্যে। গাদাগাদি করে যাচ্ছে তারা।


সরাসরি বাস না চলায় ভেঙে ভেঙে শহর ছাড়ছে মানুষজন। কেউবা অতিরিক্ত ভাড়া দিয়ে প্রাইভেট কার, মাইক্রোবাসে করে যাচ্ছে। সিএনজি অটোরিকশা নিয়েও অনেক পরিবারকে বাড়ির পথে রওয়ানা হতে দেখা গেছে।


রাজধানীর গাবতলী, সায়েদাবাদ, মহাখালী এবং ফকিরাপুল এলাকায় বিভিন্ন বাস কাউন্টারের লোকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, আগামী ১২ এবং ১৩ এপ্রিল লকডাউন না থাকায় ওই দুই দিনের টিকিট চাচ্ছে অনেক মানুষ। কিন্তু এই দুই দিনে আন্তঃজেলা বাস চলবে কি না, সেটা এখনও নিশ্চিত হতে পারেনি বলে তারা বাসের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু করেননি।


এ ব্যাপারে জানতে চাইলে শ্যামলী পরিবহনের ব্যবস্থাপক শংকর সাহা বলেন, `প্রচুর লোকজন ফোন করছে। সরাসরিও আসছে টিকিটের জন্য। সরকারি কোনো সিদ্ধান্ত না হওয়ায় আমরা টিকিট দিচ্ছি না। আশা করছি, কাল নাগাদ সিদ্ধান্ত হবে, তখন ১২ এবং ১৩ এপ্রিলের টিকিট দেওয়া শুরু করব।’


সেন্টমার্টিন পরিবহনের পরিচালক মাহবুবুল আলম জুয়েল বলেন, ‘যারা ১২ এবং ১৩ তারিখের টিকিটের জন্য আসছেন বা ফোন করছেন, সবার ফোন নম্বর লিখে রাখছি। সিদ্ধান্ত হলেই তাদেরকে ফোন করে টিকিট দেব। আমাদের যাত্রীদের বেশিভাগই চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, রাঙামাটি আর খাগড়াছড়ির।’`


হানিফ পরিবহনের জেনারেল ম্যানেজার আশফাক আহমেদ বলেন, `দেশের প্রায় জেলাতেই আমাদের গাড়ি চলে। এখন লকডাউনের কারণে বন্ধ আছে। আশা করছি, ১২ এবং ১৩ এপ্রিল সারা দেশে ২৪ ঘণ্টা বাস সার্ভিস দিতে পারব। আগামীকাল (১১ এপ্রিল) থেকে আমরা টিকিট ছাড়ার ব্যাপারে আশাবাদী।‘


এদিকে সরেজমিনে টঙ্গী, গাজীপুর এলাকায় গিয়ে দেখা গেছে, হাজার হাজার লোক বাস, অটোরিকশাসহ বিভিন্ন যানবাহনে করে বাড়ির পথে রওয়ানা হয়েছে। এই রুটের বেশিরভাগ মানুষ বাসে আব্দুল্লাহপুর গিয়ে সেখান থেকে অটোরিকশা, মাইক্রোতে করে ভেঙে ভেঙে বিভিন্ন গন্তব্যে চলে যাচ্ছে। এসব রুট দিয়ে ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল, নেত্রকোনা, জামালপুর, শেরপুর, ভৈরব, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, নরসিংদী, মৌলভীবাজার, সিলেট, সুনামগঞ্জে যাচ্ছে যাত্রীরা।


আগামী ১২ এবং ১৩ এপ্রিল আন্তঃজেলা বাস চলার অনুমতি দেবে কি না, এ ব্যাপারে সুনির্দিষ্ট করে কিছু বলতে পারেননি কোনো পরিবহন মালিক বা কর্মকর্তা। তবে অসমর্থিত সূত্র জানিয়েছে, আগামীকাল জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এ ব্যাপারে নির্দেশনা আসতে পারে।


 কঠোর লকডাউনেও গার্মেন্টস খোলা থাকবে জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম।

আগামী ১৪ এপ্রিল থেকে ৭ দিনের কঠোর লকডাউন


আসছে কঠোর লকডাউন। জরুরী সেবা ছাড়া সরকারি বেসরকারি সব প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকলেও পোশাক ও বস্ত্র কারখানা খোলা থাকবে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম।

রোববার (১১ এপ্রিল) বিকেলে পোশাক ও বস্ত্রশিল্প মালিকদের সঙ্গে এক ভার্চুয়াল বৈঠকে একথা জানান তিনি। বৈঠকে এফবিসিসিআই-এর সভাপতি শেখ ফজলে ফাহিম, তৈরি পোশাকশিল্প মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ’র ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মোহাম্মদ আবদুস সালাম ও নবনির্বাচিত সভাপতি ফারুক হাসান, নিট পোশাকশিল্প মালিকদের সংগঠন বিকেএমইএ’র সহ-সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম, বস্ত্রকল মালিকদের সংগঠন বিটিএমএ’র সভাপতি মোহাম্মদ আলী প্রমুখ অংশ নেন।

বিকেএমইএ’র সহ-সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম গণমাধ্যমকে জানান, ‘১৪ এপ্রিল থেকে সর্বাত্মক লকডাউন হলেও শিল্প কারখানা চলবে। মন্ত্রিপরিষদ সচিব আমাদের নিশ্চিত করেছেন।’

তিনি আরও বলেন, লকডাউনে শিল্প কারখানা ছাড়া সব বন্ধ থাকবে। মানুষের চলাচল কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হবে। এছাড়া ব্যাংক বন্ধ থাকতে পারে। তাতে আমদানি-রফতানিতে সমস্যা হবে। এ বিষয়েও পরিস্থিতি বুঝে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব। অবশ্য সরকার এ বিষয়ে এখনও প্রজ্ঞাপন জারি করেনি।
এর আগে সকালে লকডাউনে পোশাক ও বস্ত্র কারখানা খোলা রাখার দাবি জানায় তৈরি পোশাক খাতের চার সংগঠন- বাংলাদেশ পোশাক রফতানিকারক ও মালিক সমিতি (বিজিএমইএ), বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিকেএমইএ), বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশন (বিটিএমইএ) ও এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ইএবি)।

রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে সংবাদ সম্মেলন করে এই দাবি জানান সংগঠনগুলোর নেতারা।

ব্যবসায়ী নেতারা বলেন, ‘গার্মেন্টস কারখানা লকডাউনের আওতার বাইরে না রাখা হলে রফতানি বাজার হারাবে বাংলাদেশ। এ ছাড়া শ্রমিকদের বেতন-বোনাস নিয়ে সংকট তৈরি হতে পারে।’

সংগঠনগুলোর পক্ষ থেকে বলা হয়, ২০১৯-২০ অর্থবছরে প্রায় ৬০০ কোটি ডলারের রফতানি আদেশ হারিয়েছে পোশাক খাত এবং চলতি অর্থবছরের প্রথম নয় মাসে ২০১৮-১৯ অর্থবছরের তুলনায় রফতানি হারিয়েছে সাড়ে ৯ শতাংশ। ২০২০ সালের এপ্রিল নাগাদ পোশাক খাতের এক হাজার ১৫০টি সদস্য প্রতিষ্ঠান ৩১৮ কোটি ডলারের কার্যাদেশ বাতিল ও স্থগিতের শিকার হয়েছে। ৯০ শতাংশ প্রত্যাহার হলেও মূল্যছাড় ও ডেফার্ড পেমেন্ট মেনে নিতে হয়েছে।সংবাদ সম্মেলনে সংসদ সদস্য মো. আব্দুস সালাম ছাড়াও ছিলেন– বিজিএমইএর সাবেক সভাপতি সংসদ সদস্য শফিউল ইসলাম মহিউদ্দিন, সদ্য নির্বাচিত বিজিএমইএর সভাপতি ফারুক হাসান, বিকেএমইএর সভাপতি সেলিম ওসমান প্রমুখ।



Md. Alamin khan

নির্বাহী সম্পাদকঃ আলামিন হোসেন | বার্তা সম্পাদকঃ মো. ছাব্বির খান সিরাজগঞ্জ প্রতিদিন বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় , মুজিব সড়ক , , সিরাজগঞ্জ সদর , বাংলাদেশ। মোবা : 017 ই-মেইল : sirajganj24news@gmail.com

যোগাযোগ ফর্ম

নাম

ইমেল *

বার্তা *

Blogger দ্বারা পরিচালিত.
Javascript DisablePlease Enable Javascript To See All Widget
Youtube Channel Image
Sirajganj News Subscribe To watch more Update News
Subscribe